international
মিশরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান, চিকিৎসক ও সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা থেকে মূলধারার রাজনীতিতে উঠে আসা এই ৪১ বছর বয়সী নেতা এখন ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে।
তালেবান সরকার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে এলেও সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতার মুখে পড়েছে।
পশ্চিম এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব, পাকিস্তান এবং তুরস্কের নতুন কৌশলগত সমীকরণ তৈরির সম্ভাবনা এই মুহূর্তে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
নতুন নতুন যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় প্রতিটি দেশ কোনো না কোনোভাবে এই সংকটে জড়িয়ে পড়ছে। কূটনৈতিক উদ্যোগও কার্যত স্থবির। যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনা দ্রুত পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত দেখা যাচ্ছে না।
ইরানকে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণের দাবি থেকে সরে আসতে বাধ্য করতে ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক চাপ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক উদ্যোগ—সব ধরনের পথই বিবেচনা করছে। কিন্তু কোনো কৌশলই এখন পর্যন্ত কার্যকর ফল দিচ্ছে না। স্থলযুদ্ধে জড়ানোর ঝুঁকি, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের সামনে থাকা বিকল্পগুলোকে আরও সংকুচিত করেছে। একই সঙ্গে ইরানও নিজের অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো ইঙ্গিত দিচ্ছে না। ফলে যুদ্ধের পাঁচ মাস পরও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য পূরণে কোনো বাস্তবসম্মত কৌশল বা শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ দৃশ্যমান নয়। পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে ট্রাম্পের সামনে থাকা প্রতিটি বিকল্পই উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ, ব্যয়বহুল এবং অনিশ্চিত—অর্থাৎ এটি কার্যত একটি ‘নো-উইন’ পরিস্থিতিতে পরিণত হয়েছে।
আন্দোলনস্থলে সাংবাদিকদের ঘিরে ক্ষোভ, নতুন করে আলোচনায় ভারতের সংবাদমাধ্যমের নিরপেক্ষতা
সরকারের সঙ্গে দলটির তৃতীয় দফা বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে বৈঠক শুরুর প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই পদত্যাগের ঘোষণা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ অনেকের মধ্যেই ধারণা জন্মায়, এর পেছনে হয়তো ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শেষ মুহূর্তে হস্তক্ষেপ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৌদি আরব একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার ফলে দেশটি বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তোলার সুযোগ পেতে পারে।
পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। অনেককে আটক করা হয় এবং অসংখ্য আন্দোলনকারী আহত হন। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। মেট্রো স্টেশন বন্ধ, সড়কে ব্যারিকেড এবং ইন্টারনেট সেবা সীমিত করার পাশাপাশি যন্তর মন্তরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
একটি গুলিও না ছুড়ে, চীন তার বহুদিনের তিনটি কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের পথে বড় অগ্রগতি দেখেছে।
