international
নিউ ইয়র্ক টাইমস'-এর সাম্প্রতিক একটি বিস্ফোরক প্রতিবেদনকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’, ‘হলিউডি কল্পকাহিনি’ ও ‘সস্তা বানোয়াট গল্প’ বলে আখ্যা দিয়েছে আহমাদিনেজাদের দপ্তর।
ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, যুদ্ধ শেষ করার প্রশ্নে সামনে এগোনোর জন্য কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে।
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে একটি ইসরায়েলি গোয়েন্দা ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবে গড়ে তোলার গোপন পরিকল্পনা চালায়
ফিলিস্তিনি ফেমিনিস্ট কালেকটিভের নতুন এক প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস, পরিবেশের অবক্ষয় এবং মা ও শিশুদের হত্যার বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নীতিনির্ধারণে ধারাবাহিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও কৌশলগত সহযোগিতা সফল করতে হলে নীতিগত স্থিরতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং বাস্তবায়ন সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সাধারণত এমন পরিবেশকেই বেশি গুরুত্ব দেন, যেখানে দীর্ঘমেয়াদে নীতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
ইসরায়েলের সরকার আর প্রতিরক্ষা কাঠামোর বিরুদ্ধে এই অভিযোগগুলোকে অভূতপূর্ব এবং কিছু ক্ষেত্রে কঠোর মনে হতে পারে, বিশেষ করে এগুলো যখন আসছে একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দিক থেকে। কিন্তু অনেক বছর চুপ থাকার পর এই অভিযোগগুলো সামনে আনা ছাড়া আমার সামনে আর বিকল্প নেই।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন সমঝোতা হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধবিরতি শক্তিশালী করার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে তাৎক্ষণিক উত্তেজনা কমাতে পারে, তবে এর প্রভাব পুরো অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন হবে। উপসাগরীয় দেশগুলো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ জ্বালানি পরিবহন আশা করছে, ইসরায়েল চুক্তিটিকে নিরাপত্তা ও পারমাণবিক ইস্যুতে অপর্যাপ্ত বলে মনে করছে, লেবানন ও ইরাকে অনিশ্চয়তা ও ইরানি প্রভাব বহাল রয়েছে, সিরিয়া সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সুযোগ দেখতে পাচ্ছে, পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কূটনৈতিক সুবিধা অর্জন করেছে, রাশিয়া তেলের দাম কমে যাওয়ায় কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, আর চীন তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। সামগ্রিকভাবে, চুক্তিটি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি কমালেও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, প্রক্সি গোষ্ঠী ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে মৌলিক বিরোধগুলো এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি।
