politics
তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার ঠিক পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণ আসে। এর পরই আমন্ত্রণ জানানো হয় চীন ও জাপান থেকে। ভারত সরকারের প্রধানের আমন্ত্রণকে বাদ দিয়ে মালয়েশিয়া ও চীন থেকে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর বিশেষ কী গুরুত্ব বহন করে?
একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকের শেষভাগে এসে বাংলাদেশ এমন এক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে, যা স্বাধীনতার পর যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিক জটিল, বহুমাত্রিক এবং সুযোগসমৃদ্ধ। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের উত্থান, চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাব, যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্বিন্যাস, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এবং বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে নতুন ভূঅর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শপথ গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশি বসতিস্থাপনকারীদের উদ্দেশে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “দ্রুত চলে যান, নইলে সরকার যা করার প্রয়োজন, তাই করবে।” | ছবি: ANI
What began as a sarcastic social media reaction to a despicable remark by the Chief Justice - has now exploded into one of the most unexpected digital movements India has seen in years. 'Cockroach Janta Party' may have started as an online joke about unemployed and frustrated youth, but within days it transformed into a viral political phenomenon attracting millions of followers, international media attention and visible discomfort within the system itself.
বিরোধীদলের প্রতি ঈঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এখন যারা অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাইছে- খবর নিয়ে দেখেন ওই ৫ আগস্টে যারা বিতাড়িত, তাদের সাথে এরা তলে তলে আবার খাতির শুরু করেছে। যেভাবে ৯৬ সালে করেছিল, যেভাবে ৮৬ সালে করেছিল। তাদের সাথে নতুন কয়েকটি লেজও গজিয়েছে।
