politics
এক দশকের বেশি সময় ধরে এই সংগঠন কখনো সরকারবিরোধী আন্দোলনের বিশাল জনসমাবেশের মুখ, কখনো ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সমঝোতার অংশীদার, আবার কখনো বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির সম্ভাব্য মিত্র হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রে হেফাজত
বর্তমান সরকার তার ঘোষিত ‘Bangladesh First’ নীতির আলোকে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ বৈদেশিক সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব নির্ধারণে আদর্শিক অবস্থানের পরিবর্তে অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থই প্রধান বিবেচ্য হয়ে উঠেছে।
নৈতিক স্খলনের অভিযোগে এমপি বহিষ্কার, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত; শৃঙ্খলায় আপসহীন অবস্থানের বার্তা
তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার ঠিক পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণ আসে। এর পরই আমন্ত্রণ জানানো হয় চীন ও জাপান থেকে। ভারত সরকারের প্রধানের আমন্ত্রণকে বাদ দিয়ে মালয়েশিয়া ও চীন থেকে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর বিশেষ কী গুরুত্ব বহন করে?
একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকের শেষভাগে এসে বাংলাদেশ এমন এক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে, যা স্বাধীনতার পর যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিক জটিল, বহুমাত্রিক এবং সুযোগসমৃদ্ধ। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের উত্থান, চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাব, যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্বিন্যাস, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এবং বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে নতুন ভূঅর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শপথ গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশি বসতিস্থাপনকারীদের উদ্দেশে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “দ্রুত চলে যান, নইলে সরকার যা করার প্রয়োজন, তাই করবে।” | ছবি: ANI
