national
‘তুমি কে, আমি কে—ফার্মের মুরগি, ফার্মের মুরগি।’ ঠিক দুই বছর আগে, ১৪ জুলাই ২০২৪ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা স্লোগান তুলেছিলেন—‘তুমি কে, আমি কে—রাজাকার, রাজাকার।’
বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তের দায় স্বীকার করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন পদত্যাগ করবেন। পাশাপাশি পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুল ও অস্বাভাবিক কঠিন প্রশ্নের অভিযোগ তুলে পুনর্মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানানো হয়।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অনেকেই মনে করছেন, এমন বৈরী আবহাওয়া, জলাবদ্ধতা এবং দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়ার পরিবর্তে কয়েক দিনের জন্য পরীক্ষা স্থগিত করা হলে অযথা এই দুর্ভোগ এড়ানো সম্ভব হতো।
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা মূলত তাঁর আইনি জটিলতা এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। তাঁর নিজের বক্তব্য অনুযায়ী তাঁর ফেরার পরিকল্পনা থাকলেও, বিশ্লেষকদের মতে সার্বিক বাস্তবতায় এই সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
সংসদীয় গণতন্ত্রে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিকে সংসদের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাজেট পাসের পর সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো সরকারি অর্থ কীভাবে এবং কোন খাতে ব্যয় করছে, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা এই কমিটির মূল কাজ।
৬৯-য়ের আগে কতজন রাজনৈতিক নেতা বিচারের নামে হত্যাকাণ্ডের শিকার হইছে? সেই সময় স্কাইপে কেলেঙ্কারির কথা শুনছি আমরা যেখানে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে মামলার রায় বাইরে থেকে লিখে দিতো? ৬৯-য়ের আগে দেশের প্রধান বিচারপতিরে গোয়েন্দা সংস্থা জোর করে রিজাইন করায়ে বিদেশ পাঠাইছে এরকম নজির আছে?
তুন বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশে সরকার চীনের সঙ্গে বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে।
বাংলাদেশে ভারতের একক প্রভাব বা প্রাধান্যের যুগ স্পষ্টভাবেই শেষ হয়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি আদর্শ নয়, বরং জাতীয় স্বার্থ। সেই বাস্তবতা এখন ভারত ও বিএনপি—উভয় পক্ষের অবস্থানেই ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। ভারত বুঝতে পারছে যে বাংলাদেশের যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক, তার সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখা কৌশলগতভাবে অপরিহার্য।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু ও তাঁর জানাজা শুধু একটি রাষ্ট্রনেতার বিদায়ের ঘটনা নয়; এটি সমসাময়িক বিশ্বরাজনীতির দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির সংঘর্ষকে সামনে নিয়ে এসেছে। একদিকে পশ্চিমা বিশ্বের নিরাপত্তা, কূটনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকেন্দ্রিক ব্যাখ্যা, অন্যদিকে গ্লোবাল সাউথের দীর্ঘ উপনিবেশিক অভিজ্ঞতা, সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন এবং সাম্রাজ্যবাদবিরোধী রাজনৈতিক স্মৃতির আলোকে গড়ে ওঠা এক ভিন্ন বাস্তবতা। ফলে এই শেষযাত্রাকে কেবল ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখলে এর রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক তাৎপর্যের বড় একটি অংশ অদৃশ্য থেকে যায়।
