national
বাংলাদেশে ভারতের একক প্রভাব বা প্রাধান্যের যুগ স্পষ্টভাবেই শেষ হয়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি আদর্শ নয়, বরং জাতীয় স্বার্থ। সেই বাস্তবতা এখন ভারত ও বিএনপি—উভয় পক্ষের অবস্থানেই ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। ভারত বুঝতে পারছে যে বাংলাদেশের যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক, তার সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখা কৌশলগতভাবে অপরিহার্য।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু ও তাঁর জানাজা শুধু একটি রাষ্ট্রনেতার বিদায়ের ঘটনা নয়; এটি সমসাময়িক বিশ্বরাজনীতির দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির সংঘর্ষকে সামনে নিয়ে এসেছে। একদিকে পশ্চিমা বিশ্বের নিরাপত্তা, কূটনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকেন্দ্রিক ব্যাখ্যা, অন্যদিকে গ্লোবাল সাউথের দীর্ঘ উপনিবেশিক অভিজ্ঞতা, সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন এবং সাম্রাজ্যবাদবিরোধী রাজনৈতিক স্মৃতির আলোকে গড়ে ওঠা এক ভিন্ন বাস্তবতা। ফলে এই শেষযাত্রাকে কেবল ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখলে এর রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক তাৎপর্যের বড় একটি অংশ অদৃশ্য থেকে যায়।
বাংলাদেশের ইতিহাস নানা কিসিমের বিরোধীদল দেখেছে। বিশেষ করে গৃহপালিত বিরোধীদলের ধারণাটা একদমই এ ভূখণ্ডের নিজস্ব। শেখ হাসিনার জমানায় যে ভূমিকায় আমরা দেখেছি জাতীয় পার্টিকে। জামায়াতকেও কেউ কেউ এখন গৃহপালিত বিরোধী দল বলে থাকে।
আশুলিয়া পুলিশ গ্রেপ্তারের ঘটনাস্থল থেকে সাতজন নদীতে পড়ে নিখোঁজ বা নিহত হওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে। তবে ঘটনার পর তুরাগ নদ থেকে একাধিক মরদেহ উদ্ধারের পর তাদের পরিচয় নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ওঠে। মিছিলে অংশ নেওয়া পরিচয় গোপন রাখা এক আওয়ামী লীগ কর্মীর দাবি, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আরিফ ও সুমন ২২ জুনের ওই মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন এবং ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন।
শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতার সৃষ্টি হয়। ক্ষমতার এই আকস্মিক পরিবর্তনের পর শুধু আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কাঠামোই নয়, দলটির নেতৃত্বের দৃশ্যমান উপস্থিতিও নাটকীয়ভাবে কমে যায়।
ঠিক দুই বছর আগে, ২০২৪ সালের এই দিনেই সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছিল এক শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলন, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বড় গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
গতকাল সংসদ অধিবেশন শেষে সংসদের ফ্লোরে জামায়াতের আমীর ও বিরোধী দলের নেতা এবং সংসদ নেতা ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আন্তরিক পরিবেশে আলাপচারিতার একটি দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে।
শুক্রবার দেশটির উত্তর উপকূলের কাছে রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে সংঘটিত দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের পর নতুন এই কম্পনে সাধারণ মানুষের মধ্যে আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মীরা নিউইয়র্কে এই ফলাফলকে ‘রাজনৈতিক ভূমিকম্প’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন, কারণ একাধিক ইসরায়েলপন্থী প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন প্রগতিশীল প্রার্থীরা।
