
যা হুকুম করা হবে তা তামিল করাই চাকর বাকরের কাজ। সংবিধানের ভাষায় প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ বলা হলেও ক্ষমতার মসনদ থেকে জনগণকে এখন চাকরের ন্যায় মূল্যায়ন করছে বৈকি।
রাষ্ট্রের কিছু নিয়ম আছে, রাষ্ট্র চলতে নিয়ম মানতে হয়। যেমন জ্বলানী তেলেন দাম বৃদ্দির বিষয়ে গনশুনানী করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু সেই নিয়ম আর নীতির কোন তোয়াক্কা না করেই গতরাতে হুট করেই তেলের দাম লিটার প্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে—কোনো আলোচনা নেই, কোনো পূর্বকথাবার্তা নেই, নেই কোনো গণশুনানি। তাহলে কোন নিয়মের বলে লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হলো? উত্তর তো এখন একটাই হতে পারে—মালিক তাঁর সিদ্ধান্ত নেবেন, এখানে চাকরের সঙ্গে কেন পরামর্শ করতে হবে?
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সর্বশেষ সিদ্ধান্তটি সেই পুরোনো প্রশ্নটিকেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে—আমরা কি সত্যিই রাষ্ট্রের মালিক, নাকি সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়াই আমাদের একমাত্র কাজ?
রোববার রাতে অনেকটা আকস্মিকভাবেই চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা এসেছে। সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। এখন ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে।
অর্থাৎ এক রাতের সিদ্ধান্তে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একটি পণ্যের দাম বড় মাত্রায় বেড়ে গেল। এর প্রভাব শুধু মোটরসাইকেলের ট্যাংক, বাসের ট্যাংক কিংবা কৃষকের সেচযন্ত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে গণপরিবহন, পণ্য পরিবহন, কৃষি, শিল্প, বাজারদর এবং শেষ পর্যন্ত একটি পরিবারের মাসিক খরচ।
প্রশ্ন তাই শুধু জ্বালানি তেলের দাম কত হলো—তা নয়। প্রশ্ন হলো, এই বাড়তি ব্যয়ের ভার শেষ পর্যন্ত কে বহন করবে? উত্তরটি খুব কঠিন নয়—সাধারণ মানুষ।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে প্রথম আঘাত পড়ে পরিবহন খাতে। বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, লঞ্চ কিংবা কৃষির যন্ত্রপাতি—সব ক্ষেত্রেই জ্বালানি একটি মৌলিক ব্যয়। ফলে ডিজেলের দাম বাড়লে শুধু একটি পণ্যের দাম বাড়ে না; পণ্য পরিবহনের খরচও বাড়ে।
ঢাকার একজন সাধারণ চাকরিজীবী সকালে বাসে অফিসে যান। একজন শ্রমিক কারখানায় যান গণপরিবহনে। একজন কৃষক ডিজেল দিয়ে সেচ দেন। একজন ব্যবসায়ী ট্রাকে পণ্য পাঠান। একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বাজার থেকে পণ্য এনে দোকানে তোলেন। তাদের কারও আয় রাতারাতি ২০ শতাংশ বাড়ে না। কিন্তু জ্বালানির দাম বাড়তে পারে এক লাফে।
রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের ক্ষমতা সরকারের হাতে, কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের আর্থিক বোঝা জনগণের কাঁধে—তাহলে জনগণের কথা শোনা হবে কখন?
সাত মাসে চার দফা নয়, মাত্র কয়েক ধাপে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা বৃদ্ধি। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ছিল—ডিজেল ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা লিটার।
এরপর ১৮ এপ্রিল রাতে সরকার দাম বাড়ায়। ১৯ এপ্রিল থেকে ডিজেলের দাম ১৫ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৮ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকা এবং অকটেন ২০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা হয়।
এরপর জুনে কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম আরও পাঁচ টাকা করে বাড়ানো হয় বলে সংশ্লিষ্ট মূল্যতালিকায় প্রতিফলিত হয়। সেপ্টেম্বরে এসে দাম ছিল ডিজেল ১১৫, কেরোসিন ১৩৫, পেট্রোল ১৪০ এবং অকটেন ১৪৫ টাকা।
এরপর রোববার আবার চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হলো।
ফলে ফেব্রুয়ারির দামের সঙ্গে তুলনা করলে এখন— ডিজেল: ১০০ থেকে ১৩৫ টাকা—বৃদ্ধি ৩৫ টাকা, কেরোসিন: ১১২ থেকে ১৫৫ টাকা—বৃদ্ধি ৪৩ টাকা, পেট্রোল: ১১৬ থেকে ১৬০ টাকা—বৃদ্ধি ৪৪ টাকা, অকটেন: ১২০ থেকে ১৬৫ টাকা—বৃদ্ধি ৪৫ টাকা। অর্থাৎ মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
এটি শুধু একটি মূল্যতালিকার পরিবর্তন নয়। এর অর্থ হলো—একটি পরিবারকে আগের মতো জীবনযাপন করতে হলেও এখন জ্বালানির পেছনে বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হবে।
২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর নতুন দাম দেশের ইতিহাসে জ্বালানি তেলের সর্বোচ্চ খুচরা দামগুলোর মধ্যে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে। ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা।
যে পরিবার আগে মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ জ্বালানির জন্য যে অর্থ ব্যয় করত, এখন একই পরিমাণ জ্বালানি কিনতে তাদের বাড়তি টাকা গুনতে হবে।
মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর ব্যয় বাড়বে। ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যয় বাড়বে। গণপরিবহনের পরিচালন ব্যয় বাড়বে। কৃষকের সেচ খরচ বাড়তে পারে। পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়বে। আর এসব ব্যয়ের কোনোটি আলাদা আলাদা বাক্সে আটকে থাকে না। এক জায়গায় ব্যয় বাড়লে তার প্রভাব অন্য জায়গায় গিয়ে পড়ে।
অর্থনীতির সবচেয়ে সহজ বাস্তবতা হলো—পরিবহন ব্যয় বাড়লে পণ্যের সরবরাহ ব্যয়ও বাড়ে। কৃষক মাঠ থেকে উৎপাদিত পণ্য বাজারে পাঠান। ব্যবসায়ী এক জেলা থেকে অন্য জেলায় পণ্য পাঠান। পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে পণ্য আসে। প্রতিটি ধাপে পরিবহনের প্রয়োজন।
ফলে ডিজেলের দাম বাড়ার অর্থ কেবল ট্রাকের চালকের খরচ বাড়া নয়। এর অর্থ হতে পারে চাল, ডাল, সবজি, মাছ, মাংস, পোশাক, নির্মাণসামগ্রীসহ অসংখ্য পণ্যের সরবরাহ ব্যয়ের ওপর নতুন চাপ। তারপর সেই বাড়তি ব্যয় গিয়ে পড়ে ভোক্তার ওপর।
সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, আগস্টে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জুলাইয়ে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি আগস্টে ৭ দশমিক ০২ শতাংশে নেমেছে, তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।
অর্থাৎ মূল্যস্ফীতির হার কমেছে—কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে বাজারদর আগের জায়গায় ফিরে এসেছে। এর অর্থ হলো, আগের তুলনায় দাম বাড়ার গতি কিছুটা কমেছে। সাধারণ মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতাও এখানেই গুরুত্বপূর্ণ।
বাজারে গিয়ে যে মানুষকে প্রতিদিন পকেট থেকে টাকা বের করতে হয়, তার কাছে মূল্যস্ফীতির হার যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো—আজ এক কেজি চালের দাম কত, এক লিটার তেলের দাম কত, বাসভাড়া কত এবং মাস শেষে হাতে কত টাকা থাকছে।
এ অবস্থায় জ্বালানি তেলের বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি নতুন করে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি করবে কি না—সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
সরকারের ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক বাজার ও বিপিসির লোকসান
সরকার বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের বাজারে তুলনামূলক কম দাম ধরে রাখায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন—বিপিসি—বড় লোকসানে পড়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিপিসির লোকসান প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা হয়েছে। শুধু ডিজেলেই বিপিসির দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। সর্বশেষ মূল্যবৃদ্ধির ফলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমবে বলে সরকারের হিসাব।
সরকার আরও বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশের দামের বড় ব্যবধান থাকলে সীমান্তপথে জ্বালানি পাচারের ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রায় আমদানি করা জ্বালানি দেশের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও বলা হয়েছে।
অর্থাৎ সরকারের যুক্তি—এটি কেবল দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নয়; বরং বিপিসির লোকসান, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং জ্বালানি পাচার ঠেকানোর সঙ্গে বিষয়টি যুক্ত।
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণ শুধু ভোট দেওয়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ নয়। জনগণ রাষ্ট্রের করদাতা, শ্রমদাতা, ভোক্তা এবং অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।
একজন রিকশাচালক জ্বালানির দাম বাড়ার অর্থ বোঝেন অন্যভাবে। একজন বাসচালক বোঝেন অন্যভাবে। একজন কৃষক বোঝেন ডিজেলের দাম বাড়ার অর্থ। একজন গার্মেন্টস শ্রমিক বোঝেন বাসভাড়া বাড়ার অর্থ। একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের কর্তা বোঝেন বাজারের ব্যয় বাড়ার অর্থ। তাদের সবার জীবনে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে। তাই রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে জনগণের অংশগ্রহণ, ব্যাখ্যা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তোলা অস্বাভাবিক নয়।
“মালিক”যদি জনগণ হয়, তাহলে পরামর্শ কোথায়?
একটি রাষ্ট্রে সরকার পরিবর্তন হয়। মন্ত্রী পরিবর্তন হয়। প্রশাসনের কর্মকর্তা বদলান। কিন্তু রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের কাছেই থাকে।
তাই জনগণের কাছে প্রশ্নটি খুব সরল— আমাদের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন নেই?
জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণে সরকার আন্তর্জাতিক বাজার, আমদানি ব্যয়, ফ্রেইট, বৈদেশিক মুদ্রা, বিপিসির লোকসান—সবকিছুর হিসাব করতে পারে। সেটি সরকারের দায়িত্বও। কিন্তু সেই হিসাবের সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার হিসাবটিও কি যুক্ত করা হয়েছে?
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ইতিহাস বাংলাদেশের জন্য নতুন নয়। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৪৪ টাকা থেকে বেড়ে ১০৬ টাকা ৭৫ পয়সায় পৌঁছেছিল—বৃদ্ধি প্রায় ১৪২ শতাংশ। একই সময়ে পেট্রোলের দাম ৭৪ থেকে ১২২ টাকা এবং অকটেনের দাম ৭৭ থেকে ১২৭ টাকা হয়েছিল।
পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন দফায় দাম কমানো-বাড়ানো হয়। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ সমন্বয়ের পর ডিজেল ১০০, কেরোসিন ১১২, পেট্রোল ১১৬ এবং অকটেন ১২০ টাকা ছিল। অর্থাৎ সরকার বদলেছে, রাজনৈতিক সময় বদলেছে, কিন্তু জ্বালানি মূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষের চাপের বাস্তবতা বদলায়নি।
জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির সমালোচনা করে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম গতকাল দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যম ‘প্রথম আলো’কে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ওপরে থাকা অবস্থায় জ্বালানির দাম বাড়ালে মানুষের টিকে থাকা আরও কঠিন হবে। তিনি সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, প্রায় ১৪ লাখ মানুষের আয় বাড়লেও বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর বড় অংশের আর্থিক পরিস্থিতি দুর্বল। তাঁর আশঙ্কা, জ্বালানির দাম বাড়ার ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।
তার বক্তব্যের মূল প্রশ্নটি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতার দিকে ইঙ্গিত করে—মানুষের আয় যদি ব্যয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে না বাড়ে, তাহলে শুধু অর্থনীতির কাগুজে হিসাব দিয়ে জীবনযাত্রার সংকট বোঝা যায় না।
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়তে পারে। কিন্তু দেশের কোটি কোটি মানুষ তো সরকারি চাকরি করেন না। কেউ দিনমজুর। কেউ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। কেউ পরিবহন শ্রমিক। কেউ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। কেউ কৃষক। কেউ ফ্রিল্যান্সার। কেউ ছোট দোকান চালান।
Author