
রয়টার্সকে ইরানের দুটি বলেছেন, সুপ্রিম লিডার বলেছেন ইরানের ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো যাবে না।
এমন নির্দেশনার মাধ্যমে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনায় নিজেদের অবস্থান কঠোর করেছে তেহরান।
দখলদার ইসরায়েলের কর্মকর্তারা রয়টার্সকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের আশ্বস্ত করেছেন, ইরানের সঙ্গে যদি কোনো চুক্তি হয় তাহলে সেখানে সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়ামের বিষয়টি অবশ্যই থাকবে। চুক্তি অনুযায়ী ইরানের ইউরেনিয়াম অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে। ইরান এখন অবস্থান কঠিন করায় এ নিয়ে আরও ক্ষুব্ধ হতে পারেন ট্রাম্প।
ধারণা করা হয় ইরানের কাছে ৪০০ কেজি সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম আছে। যা দিয়ে অন্তত এক ডজন পারমাণবিক বোমা তৈরি করা যাবে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এর আগে বলেছিলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ইরানের ইউরেনিয়াম অপসারণ না করা হবে, হিজবুল্লাহ-হামাসের মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সহায়তা বন্ধ না করা হবে এবং ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইলের সক্ষমতা শেষ না করা হবে ততক্ষণ তিনি যুদ্ধ বন্ধ করবেন না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরানি কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানের নেতৃবৃন্দের মত হলো— সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম ইরান থেকে বের করা যাবে না। কারণ এতে করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে তাদের দেশ।
Super Admin এই পত্রিকার একজন লেখক।