
দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে হাসপাতালগুলোতে এখন শিশুদের বাঁচাতে নিরন্তর লড়াইয়ে আছেন অনেক মা–বাবা। তেমনই এক মায়ের সঙ্গে কথা হয় সম্প্রতি রাজধানীর মহাখালীতে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে। তিনি এসেছেন গাজীপুর থেকে। গরমের মধ্যেও বড় হিজাব দিয়ে শরীর ঢেকে বিছানায় ছেলের পাশে বসে আছেন। এই নারীর চোখ দুটো শুধু দেখা যাচ্ছে। বয়স খুব বেশি হলে ২৪ বছর, লিকলিকে স্বাস্থ্য। এই নারী জানালেন, স্বামী চাননি বলে হামে আক্রান্ত শিশুটিসহ তাঁর বিভিন্ন বয়সী মোট চার সন্তানের কাউকে কোনো টিকাই দেওয়া হয়নি।
হামে আক্রান্ত শিশুদের খোঁজ নিতে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও একাধিক মায়ের সঙ্গে এক মাসের বেশি সময় ধরে প্রায় নিয়মিতই কথা হচ্ছে। এই মায়েদের বেশির ভাগেরই পরিবারের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই। নিজের শারীরিক গঠন ঠিক রাখা বা ফিটনেস নিয়ে চিন্তা করার ফুসরত তাঁরা পাচ্ছেন, তেমনটাও মনে হয়নি। বাজারের শিশুদের জন্য তৈরি ফর্মুলা বা গুঁড়া দুধের যে দাম, তাতে এই তিনটি হাসপাতালে উপস্থিত হওয়া মায়েদের দেখে মনে হয়নি যে তাঁদের তা কেনার সামর্থ্য আছে।
Super Admin এই পত্রিকার একজন লেখক।
মে ২১, ২০২৬