
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৭ মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখনো বসুন্ধরা গ্রুপের হাতে। অনেকেই বলছেন, এলাকাটি যেন রাষ্ট্রের ভেতরে আরেকটি রাষ্ট্র। প্রথম আলো এলাকাটির অন্তত ১৫ জন জমির মালিক, ফ্ল্যাটমালিক, ভাড়াটে, আবাসন ব্যবসায়ী, জমির ক্রেতা ও কেনাবেচার মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কথা বলেছে। তাঁরা বলেছেন, সেখানে নিজেদের মতো করে নিয়ম তৈরি করে বসুন্ধরা গ্রুপ। এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান।
এলাকাটিতে ব্যক্তিমালিকের কাছ থেকে কেউ জমি কিনলে বসুন্ধরা গ্রুপের আবাসন কোম্পানিকে কাঠাপ্রতি ৫ লাখ টাকা বাড়তি দিতে হয়, যা জমির দাম ও সরকার নির্ধারিত করের বাইরে। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের আগে এই টাকার পরিমাণ ছিল কাঠাপ্রতি ১০ লাখ। বসুন্ধরার ‘অনুগত’ মালিক সমিতি বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ফ্ল্যাটমালিকদের কাছ থেকে সার্ভিস চার্জও আদায় করে। আরও নানাভাবে টাকা নেওয়া হয় ফ্ল্যাট ও জমির মালিকদের কাছ থেকে।
Lead Editor এই পত্রিকার একজন লেখক।
মে ২১, ২০২৬